হবিগঞ্জের কৃতী সন্তান, লেস্টার সিটির মিডফিল্ডার ও বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় হামজা চৌধুরীর সম্মানে যুক্তরাজ্যে এক জমকালো সংবর্ধনা ও গালা ডিনারের আয়োজন করেছে ‘হবিগঞ্জ সোসাইটি ইউকে’।
হামজা চৌধুরী
বছরজুড়ে বাজে সময় পার করেছেন হামজা চৌধুরী। লেস্টার সিটি কিংবা জাতীয় দল—গল্প প্রায়ই একই ছিল বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইংল্যান্ড প্রবাসী ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের। তবে লাল-সবুজের হয়ে বছরের শেষ ম্যাচে জয় রাঙালেন তিনি।
বাংলাদেশের জার্সি গায়ে জড়ানোর শুরুর দিন থেকেই ভক্ত-সমর্থকদের মুগ্ধ করে চলেছেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা হামজা চৌধুরী।
বাংলাদেশ ফুটবলের পুনর্জাগরণের অন্যতম নায়ক ইংল্যান্ডে জন্ম নেওয়া মিডফিল্ডার হামজা দেওয়ান চৌধুরী। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়ানোর আগেই তাকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল ব্যাপক উন্মাদনা। ভারতের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক অভিষেক সেই উত্তেজনাকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
ভুটান ও সিঙ্গাপুর ম্যাচ সামনে রেখে সোমবার(২ মে) ঢাকায় ফিরেছেন হামজা চৌধুরী। সকাল পৌনে এগারোটায় বাংলাদেশ বিমানযোগে লন্ডন থেকে ঢাকায় পৌঁছান তিনি। হামজাকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান বাফুফের তিন নির্বাহী সদস্য। এ সময় হামজার বাবা-মাও সাথে উপস্থিত ছিলেন।
যুক্তরাজ্য প্রবাসী ফুটবলার হামজা চৌধুরী ও স্প্রিন্টার ইমরানুর রহমান দুজনই লন্ডনের শেফিল্ডের বাসিন্দা এখন। তারও আগে থেকেই দুজনের মধ্যকার সম্পর্কটা সখ্য ও হৃদ্যতার।
এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ভারতের শিলংয়ে স্বাগতিকদের বিপক্ষে বাংলাদেশের লাল-সবুজের জার্সিতে হামজা চৌধুরীর অভিষেক হয়েছে।
সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হবিগঞ্জে নিজের পৈত্রিক বাড়ির পুরো পথ সেদিন অপেক্ষায় ছিলো হামজা চৌধুরীকে বরণ করে নিতে।
খেলা শেষে সংবাদমাধ্যমের ভিড় ছিল মিক্সড জোনে। বাংলাদেশের গাড়ি অপেক্ষায় রয়েছে প্লেয়ারদের তুলে নেবে। বাস ঘিরে কড়া নিরাপত্তা।
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে হামজা চৌধুরীর উন্মাদনা বিদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। দারুণ এক পারফর্ম্যান্স দিয়ে ভারতকে হারানোর রাস্তা তৈরি করেই দিয়েছিলেন বাংলাদেশকে।